খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

উত্থাপন হবে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের ৪৯৮ প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ
উত্থাপন হবে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের ৪৯৮ প্রস্তাব

প্রাণচাঞ্চল্য বেড়েছে সচিবালয় ও ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন। দেশের সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারদের নিয়ে আজ রোববার (৩ মে) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনের সম্মেলন। এই সম্মেলনেই উঠে আসবে মাঠ পর্যায়ের নানা জটিলতা, অনিশ্চয়তা আর সম্ভাবনার কথা। এবারের সম্মেলনে মোট ৩৪টি কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি শনিবার (২ মে) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, রোববার (০৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আব্দুল গনি রোডে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।

চার দিনের এই সম্মেলন চলবে আগামী ৬ মে পর্যন্ত। বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিরা সম্মেলনকালে রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। গাজীপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন থেকে শুরু করে রংপুরে হাজার শয্যার হাসপাতাল, নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেটের চা-বাগানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়—স্বপ্ন আর বাস্তবের সমন্বয়ে নানা প্রস্তাব জমা পড়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে। সম্মেলন উপলক্ষে আটজন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার ডিসিদের কাছ থেকে এক হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ৪৯৮টি প্রস্তাব, এমন তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) হুমায়ুন কবির।

শনিবার (২ মে) সচিবালয়ে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, ‘নতুন সরকারের কাছে জনগণের যেসব প্রত্যাশা রয়েছে, ডিসি সম্মেলনে সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রস্তাবগুলো বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্মেলন শেষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এক জরুরি অধিবেশনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) হুমায়ুন কবির জানান, প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলোতে জনসেবা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি, জনদুর্ভোগ কমানো, রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণ, পর্যটনের বিকাশ, আইন কানুন বা বিধিমালা সংশোধন, জনস্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৪৪টি প্রস্তাব স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সংক্রান্ত।

এবারের সম্মেলনের বিশেষ দিক তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, এবারের সম্মেলন ৩ থেকে ৬ মে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত সম্মেলন তিন দিনব্যাপী ছিল। সম্মেলন চলাকালে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণ ও মতবিনিময় করবেন। এ ছাড়াও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের সঙ্গে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে কার্য-অধিবেশন রয়েছে। এবারের ডিসি সম্মেলনে সর্বমোট ৩৪টি অধিবেশন ও কার্য-অধিবেশন রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কার্য-অধিবেশন ৩০টি। এর মধ্যে একটি উদ্বোধন অনুষ্ঠান, রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, নির্দেশনা গ্রহণসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা ২টি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনা এবং বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সভা রয়েছে।

এবারের ডিসি সম্মেলনে একটি কার্যালয় (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়), দুটি কমিশন (নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন) এবং ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ অংশ নেবে বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত সচিব। সোমবার (৪ মে) দ্বিতীয় দিন অর্থ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ-সম্পর্কিত আলোচনা হবে। এ ছাড়া এদিন জাতীয় সংসদ ভবনে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন ডিসিরা। মঙ্গলবার (৫ মে) তৃতীয় দিন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কে আলোচনা হবে। একই দিনে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ভবনে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ডিসিরা। এদিন নির্বাচন কমিশন-সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনার কথা রয়েছে। বুধবার (৬ মে) সম্মেলনের শেষ দিনে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা হবে। এদিন রাতে রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ডিসিসহ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাতের খাবার খাবেন। সরকারের নীতি-নির্ধারক এবং জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের মধ্যে সামনা-সামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য সাধারণত প্রতি বছর ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। গত বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ১৬-১৮ ফেব্রুয়ারি তিন দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলন হয়। কার্য-অধিবেশনগুলোতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী, সিনিয়র সচিব, সচিব এবং আওতাধীন দফতর, অধিদফতর ও সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন। গত (২০২৫ সালে) ডিসি সম্মেলনে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি মিলে মোট ৪০০টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, সিদ্ধান্ত সামগ্রিক বাস্তবায়নের হার ৪৪ শতাংশ।

স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণে প্রস্তাব
রংপুর বিভাগে এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট সরকারি হাসপাতাল চালু করা। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে মিডওয়াইফারি পদ সৃজন ও পদায়ন। হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বর্জ্যের বিজ্ঞানসম্মত পরিশোধনাগার নির্মাণ।

শিক্ষা ও সংস্কৃতি
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে আইসিটি, হিন্দু ধর্ম ও গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ। দেশের সব দরিদ্র প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর শিক্ষা সম্পূর্ণ অবৈতনিক ঘোষণা। সিলেটের সব চাুবাগানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও বিদ্যমান বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ। প্রতিটি জেলার শিল্পকলা একাডেমিতে কালচারাল আর্কাইভ স্থাপন।

অর্থনীতি ও শিল্পে
গাজীপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের মাধ্যমে শিল্পকারখানা নির্দিষ্ট এলাকায় স্থানান্তর। দেশীয় বাইসাইকেল শিল্পকে প্রণোদনা দেওয়া। কৃষিপ্রধান জেলাগুলোতে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য স্বল্প সুদে বড় আকারের ঋণ সুবিধা। কক্সবাজারে লবণ প্রসেসিং প্ল্যান্ট স্থাপন।

যোগাযোগ ও পরিকাঠামো
নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর স্থাপন। সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সড়কের লাক্কাতুরা থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক আট লেনে উন্নীতকরণ। পার্বত্য অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও শতভাগ বিদ্যুতায়ন।

প্রশাসন ও ভূমিসংক্রান্ত প্রস্তাব
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে জিপি, এডিশনাল জিপি ও এজিপি নিয়োগ। ভূমিসংক্রান্ত সব আইন একত্র করে একটি সংকলন প্রণয়ন। ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩’ সংশোধন। জেলা কারাগারের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত ডাক্তার ও জনবল নিয়োগ।

পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
প্রতিটি পৌরসভা ও ইউনিয়নে পরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ও ওয়াটারপ্লান্ট নির্মাণ। পার্বত্য এলাকায় ইটভাটা বন্ধে ইটের বিকল্প ‘ব্লক’ ব্যবহারে প্রকল্প প্রাক্কলন পরিবর্তন। ভরাট হয়ে যাওয়া খাসপুকুর খনন।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব
জেলা পর্যায়ে গুজব ও ফ্যাক্ট চেকিং সেন্টার স্থাপন। পর্যায়ক্রমে জেলা/উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় বিদেশি ভাষা শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো ঢাকা থেকে জেলাভিত্তিক পুনর্বিন্যাস। মডেল মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের চাকরি স্থায়ীকরণ ও বেতন-ভাতা বৃদ্ধি। টিআর ও কাবিখা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তার পরিবর্তে নগদ অর্থ বরাদ্দ প্রদান। #

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঈদের ছুটিতে ঘুরতে পারেন মৌলভীবাজারের ৮ স্পট

ট্রাভেল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
ঈদের ছুটিতে ঘুরতে পারেন মৌলভীবাজারের ৮ স্পট

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন জেলা হচ্ছে মৌলভীবাজারের। এ জেলার সাতটি উপজেলায় কৃত্রিম ও প্রাকৃতিক ছোট-বড় মিলে প্রায় শতাধিক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া রয়েছে অসংখ্য চা বাগান ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস। তারা তাদের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে বসবাস করছেন। পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে একটি জেলায় একসঙ্গে এতো গুলো পর্যটন কেন্দ্র দেখার জন্য ঘুরে আসতে পারেন মৌলভীবাজারে থেকে।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

জেলার উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্রের অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। এটি শুধু বাংলাদেশ নয় আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত একটি স্থান। পরিচিতর দিক থেকে সুন্দর বনের পরেই লাউয়াছড়ার অবস্থান। এ উদ্যানটি কেবল পর্যটন স্থানই নয়, এ পার্ক এখন জীবন্ত প্রাকৃতিক গবেষণাগার। যা প্রাণি ও পাখি বিজ্ঞানীদের একটি রাজ্য বলা যায়। বাংলাদেশের ৭টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১০টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম। মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার অবস্থিত ১.২৫০ হেক্টর আয়তনের বনটি জীববৈচিত্র্য ভরপুর। ইতিহাস থেকে জানা যায় ১৯২৫ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার এখানে বৃক্ষায়ন করলে তাই বেড়ে আজকের এই বনে পরিণত হয়। জনসচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্য পশ্চিম ভানুগাছ বনের ১,২৫০ হেক্টর এলাকাকে ১৯৭৪ সালে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও সংশোধন) আইন অনুযায়ী ১৯৯৬ সালের ৭ জুলাই জাতীয় উদ্যান হিসাবে ঘোষণা করা হয়। এ উদ্যানে ৪৬০ প্রজাতির দুর্লভ উদ্ভিদ ও প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৪ প্রজাতির উভয়চর, ৬ প্রজাতির সরীসৃপ, ২৪৬ প্রজাতির পাখি এবং ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী দেখা যায়। বিলুপ্ত প্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।

কমলগঞ্জে মাধবপুর লেক

জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর লেকটি চারিদিকে সুউচ্চ সবুজ চা বাগানের মাঝখানে অবস্থিত। লেকের ঝকঝকে পানি, প্রকৃতির ছায়া, নিরিবিলি পরিবেশ ও শাপলা ফুলে দৃষ্টিনন্দন করে তুলেছে। সবুজ পাহাড়ের চুড়ায় ধীরে ধীরে যতই এগুতে থাকবেন ততই সবুজ পাতায় পর্যটকের মনকে চাঙ্গা করে তুলবে। চারদিকে সবুজ পাহাড়ের পাশাপাশি উঁচু উঁচু টিলা রয়েছে। মাধবপুর লেক যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা কোনো ছবি।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান স্মৃতি কমপ্লেক্স

কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমান স্মৃতি কমপ্লেক্স। মোহাম্মদ হামিদুর রহমান সাতজন শ্রেষ্ঠ বীরদের অন্যতম একজন। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত তিনি বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান। তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মাঝে সর্বকনিষ্ঠ। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। ১৯৭০ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে সিপাহী পদে যোগ দেন। তার প্রথম ও শেষ ইউনিট ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত

জেলার বড়লেখা উপজেলার মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝরনার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এছাড়া এই জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।

বাইক্কা বিল

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে হাইল হাওর এটি বাংলাদেশের বৃহত্তর একটি জলাভূমি। এই হাওরে অবস্থিত বাইক্কা বিল, পর্যটকেরা শতরঙ্গের অতিথি পাখি দেখতে ও কিচিরমিচির শব্দ শুনতে ছুটে আসেন বাইক্কা বিলে।

চা-কন্যা

শ্রীমঙ্গলের প্রবেশ পথে রয়েছে চা কন্যার ভাস্কর্য যা চা শিল্পের ঐতিহ্য বহন করছে।

বধ্যভূমি

শ্রীমঙ্গলে উপজেলায় অবস্থিত বধ্যভূমি। মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি রক্ষায় নির্মিত বধ্যভূমিকে ঘিরে তৈরি এ পার্কটি দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ স্থানীয়দের পদচারণায় সবসময় মুখরিত থাকে।

ডিনস্টন সিমেট্রি

শ্রীমঙ্গল ফিনলে টি কোম্পানির ডিনস্টন চা বাগান। এখানেই শত বছরের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে আছে ডিনস্টন সিমেট্রি। এই সিমেট্রিতে শুধু বিদেশিদের কবরের সংখ্যা রয়েছে ৪৬ টি। ডিনস্টন সিমেট্রি পর্যটকের আকর্ষণীয় স্থান।

এছাড়া এ জেলায় উল্লেখযোগ্য দর্শনীয়স্থান হলো হামহাম জলপ্রপাত, মনিপুরী পল্লী, হাকালুকি হাওড়, মনু ব্যারেজ, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউট, বধ্যভূমি, উঁচু নিচু সবুজ চা বাগান, চা কণ্যা ভাষ্কর্য, নীলকন্ঠ টি কেবিন, ব্যক্তি মালিকানা সীতেশ বাবুর চিড়িয়াখানা, গগন টিলা, কমলা রাণীর দিঘি, পৃথিমপাশা নবাব বাড়ি, পাথারিয়া হিলস্ রিজার্ভ ফরেস্ট, আদমপুর বনবিট, খাসিয়া পুঞ্জি, হাকালুকিহাওর, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক, হযরত শাহ মোস্তফা (র:) এর মাজার শরীফ, পদ্মছড়া লেক, ক্যামেলিয়া লেক, পাত্রখোলা লেক, বাম্বোতল লেক, শমশেরনগর গল্ফ মাঠসহ বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীবসবাস সহ প্রায় শতাধিক দর্শনীয় স্থান রয়েছে।

জেলায় আগত পর্যটকদের থাকার জন্য রয়েছে একাধিক পাঁচ তারকা মানের হোটেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন রিসোর্ট ও কটেজ। এরমধ্যে কয়েকটি হলো গ্র‍্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গলফ, নভেম ইকো রিসোর্ট, দুসাই রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, লেমন গার্ডেন রিসোর্ট, গ্র‍্যান্ড সেলিম রিসোর্ট অ্যান্ড ট্যুর, সুইস ভ্যালি রিসোর্ট, বালিশিরা ইকো রিসোর্ট, টিলাগাঁও ইকো ভিলেজ, পত্রস্নান রিসোর্ট, শান্তি বাড়ী রিসোর্ট, নিসর্গ ইকো রিসোর্ট, টি হেভেন রিসোর্ট, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট অ্যান্ড মিউজিয়াম, ওয়াটালিলি, মুক্তানগর রিসোর্ট, রাঙ্গাউটি রিসোর্ট, অরণ্যনিবাস ইকো রিসোর্ট, গগন টিলাসহ ছোট-বড় আরও প্রায় শতাধিক রিসোর্ট রয়েছে।

শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাবেক সভাপতি ও গ্র্যান্ড সেলিম রিসোর্টের মালিক সেলিম আহমেদ বলেন, হামের প্রভাব ও ঈদের পর ছুটি কম থাকায় আগাম বুকিং কম হয়েছে রিসোর্ট গুলোতে। ছোট রিসোর্ট শতভাগ বুকিং হলেও বড় গুলো কম হয়েছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ শ্রীমঙ্গল জোনের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে ঘুরতে পারেন এজন্য আমাদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোবেল চাকমা বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে জেলায় আগত পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশও কাজ করবে। গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র গুলোতে পুলিশ মোতায়ন করা হবে। এরই মধ্যে আমরা বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়েছি।’

যেভাবে যাবেন

দেশের যে কোনো স্থান থেকে বাস যোগে মৌলভীবাজার জেলায় আসা যায়। ট্রেন যোগে ঢাকা-চট্টগ্রাম থেকে জেলার শ্রীমঙ্গল, ভানুগাছ, শমশেরনগর ও কুলাউড়া রেল স্টেশনে নেমে লোকাল বাস বা সিএনজি অটোরিকশায় অতি সহজেই পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়া যায়।

কালের আলো/এম/এএইচ

ঈদযাত্রায় তিন দিনে সড়কে ঝরল ৪৮ প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
ঈদযাত্রায় তিন দিনে সড়কে ঝরল ৪৮ প্রাণ

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামার সঙ্গে সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেড়েছে সড়ক দুর্ঘটনা। ঈদযাত্রার মাত্র তিন দিনে টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) সকাল থেকে মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল পর্যন্ত এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে সোমবার (২৫ মে) এক দিনেই প্রাণ গেছে ২৮ জনের।

শনিবার (২৩ মে) রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন পথে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। এদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কুষ্টিয়া, দিনাজপুর, যশোর, ফরিদপুর ও গাজীপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।

এর মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটে কুষ্টিয়ার খোকসায়। কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে বাস ও ড্রাম ট্রাকের সংঘর্ষে বাস খাদে পড়ে যায়। এতে চারজন নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হন। দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ হারান তিনজন। যশোর সদর উপজেলার চাউলিয়া এলাকায় ইজিবাইক, ভ্যান ও কাভার্ডভ্যানের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বাসচাপায় এক পথচারী ও গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ট্রাক-পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে একজন নিহত হন।

পরদিন রোববার (২৪ মে) দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়। ঈদযাত্রার ভিড় ও যানবাহনের চাপ অব্যাহত থাকায় মহাসড়কগুলোতে পৃথক দুর্ঘটনায় এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

ঈদযাত্রায় সোমবার (২৫ মে) সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এদিন দেশের অন্তত আটটি জেলায় পৃথক দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন।

এর মধ্যে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সবচেয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে রডবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে ১৫ জনের মৃত্যু হয়। যাত্রীদের বড় একটি অংশ বাসের খরচ বাঁচাতে ট্রাকে করে বাড়ি যাচ্ছিলেন বলে জানা যায়।

এদিন বগুড়ায় পৃথক দুই দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হন। কিশোরগঞ্জে মোটরসাইকেলে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রী ও তাদের ছয় বছরের সন্তানসহ তিনজনের মৃত্যু হয়।

এদিকে সিরাজগঞ্জে সিএনজি ও ট্রাকের পৃথক দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু ঘটে। মানিকগঞ্জে সিএনজি ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে একজন তরুণ নিহত হন। গোপালগঞ্জে বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে একজন মাইক্রোবাস চালকের মৃত্যু হয় এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন। এছাড়া নোয়াখালীতে মালবাহী নসিমন উল্টে একজন খামারির মৃত্যু হয়।

কালের আলো/এসআর/এএএন

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার রক্ষায় যৌথ উদ্যোগ

প্রবাস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের অধিকার রক্ষায় যৌথ উদ্যোগ

মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা, অধিকার সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব লেবার (জেটিকেএসএম)-এর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৫ মে, অনুষ্ঠিত এ সভায় বাংলাদেশি কর্মীদের দীর্ঘদিনের নানা অভিযোগ ও সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল অব লেবারের সভাপতিত্বে বৈঠকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিদল মালয়েশিয়ার বিভিন্ন খাতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

বিশেষ করে নির্মাণ খাতসহ বিভিন্ন কোম্পানিতে কর্মরত শ্রমিকদের ভিসা নবায়নে বিলম্ব, বেতন-ভাতা বকেয়া রাখা, দুর্ঘটনা ও মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ আদায়ে জটিলতা এবং শ্রমিক-মালিক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে উপস্থাপন করা হয়।

সভায় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, অনেক বাংলাদেশি কর্মী সময়মতো ভিসা নবায়ন না হওয়ায় অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মুখে পড়ছেন। এ কারণে নিয়োগকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক আচরণ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি শ্রমিকদের বৈধ কাগজপত্র নবায়নে যাতে অযথা বিলম্ব না হয়, সে বিষয়ে লেবার ডিপার্টমেন্টের কার্যকর নজরদারি কামনা করা হয়।

এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের বেতন ও ওভারটাইম ভাতা দীর্ঘদিন বকেয়া রাখার অভিযোগও সভায় উত্থাপন করা হয়। হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা বলেন, প্রবাসী কর্মীরা পরিবারের স্বপ্ন পূরণে কঠোর পরিশ্রম করেন। তাই তাদের ন্যায্য পাওনা সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা মানবিক ও আইনি দায়িত্ব।

সভায় কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা কিংবা মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষতিপূরণ আদায়ের প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক বা তাদের পরিবার দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পান না বলে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

এদিকে শ্রমিক-মালিক বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ছোটখাটো বিরোধ দীর্ঘসূত্রতায় গড়ালে তা শ্রমিকদের জীবন ও কর্মপরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই দ্রুত সমাধান ও কার্যকর মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমস্যা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

সভায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উত্থাপিত সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মালয়েশিয়ার লেবার ডিপার্টমেন্ট আশ্বাস দেয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভবিষ্যতেও ইতিবাচক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়।

বৈঠকে উভয়পক্ষ প্রবাসী কর্মীদের সামগ্রিক কল্যাণ ও অধিকার সুরক্ষায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও জোরদার করার ব্যাপারে একমত হয়। বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং মালয়েশিয়ার লেবার ডিপার্টমেন্টের এ সমন্বিত উদ্যোগকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কালের আলো/এম/এএইচ