খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

প্রখর খরতাপেও পথে পথে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনী (ভিডিও)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
প্রখর খরতাপেও পথে পথে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে সেনাবাহিনী (ভিডিও)

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো :

চৈত্রের খরতাপে পুড়ছে দেশ। দেশের কোথাও এক ফোঁটা বৃষ্টি নেই। খরতাপ পুঞ্জীভূত হয়ে সৃষ্টি করেছে তাপপ্রবাহ। সেই তাপে পুড়ছে পুরো দেশ।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রনায়কোচিত নেতৃত্বে এক মোহনায় দেশ, মানুষকে ‘সুরক্ষার যুদ্ধে’ সেনাবাহিনী

অস্বাভাবিক এই তাপমাত্রায় জনজীবন স্থবির না হলেও অলিখিত লক ডাউনেই মূলত থেমে গেছে জীবন। গণপরিবহন বা ট্রেন বন্ধ থাকায় ফাঁকা সড়ক, স্টেশন-টার্মিনাল।

আরও পড়ুন: করোনা নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীর কর্মপরিকল্পনা, ডিসিরা রিকুইজিশন দিলে হবে ‘ক্যাম্প’ স্থাপন

প্রতিটি মানুষই অদম্য করোনা ভাইরাসের তান্ডব থেকে প্রাণে বাঁচতে সামাজিকতা বা কারবার ভুলে স্বেচ্ছায় বা সরকারি সিদ্ধান্তে ঘরবন্দি হয়েছেন। তবে হাটবাজারের চিত্র খানিকটা ভিন্ন। পেটের তাগিদেই ঘর ছেড়ে বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষেরা।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত; করোনাভাইরাস মোকাবেলায় মাঠে সেনাবাহিনী

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের কেনাকাটায় যারা বের হচ্ছেন তারা আবার দ্রুত সময়ের মধ্যেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। অবশ্য অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর ছেড়ে বের হচ্ছেন না। দেশের প্রতিটি জেলায় জেলায় সড়কে সড়কে সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।

আরও পড়ুন: বৃত্তের মাধ্যমে দূরত্ব চিহ্নিত; সেনাবাহিনীর কর্মযজ্ঞে দেশজুড়ে স্বস্তির সুবাতাস (ভিডিও)

যশোরের একটি বাজারের দৃশ্যই ধরা যাক না। সড়কের পাশে রিকশার অস্থায়ী গ্যারেজে মেরামত কার্যক্রম চালাচ্ছেন এক তরুণ মিস্ত্রি। মুখে মাস্ক ব্যবহার করলেও হাতে নেই হ্যান্ড গ্লাভস। এমন দৃশ্য দেখে থমকে দাঁড়ায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সবেমাত্র পাশের সড়কে করোনা ভাইরাস নিয়ে সচেতনতামূলক কাজ শেষে এই পথে যাচ্ছিলেন তারা।

সেনা সদস্যদের গাড়ি থেকে নামতে দেখেই যেন চোখ কপালে উঠলো তাঁর। চোখে মুখে ভয়-আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। কিন্তু মুহুর্তেই সেই ভুল ভেঙে দিলেন সেনা সদস্যরা। তার অস্থায়ী দোকানটির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে এক সেনা সদস্য বললেন, ‘ভয় পাচ্ছেন কেন?

আপনার মুখে মাস্ক থাকলেও হ্যান্ড গ্লাভস নেই। দেশে করোনা সংক্রমণের বিস্তার নিয়ে সবাই অনেক শঙ্কিত। আপনারাও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলুন।’

নিজের কথা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই রিকশা মেকানিকের হাত হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে পরিস্কার করে দিলেন। তুলে দেন সচেতনতামূলক প্রচারপত্র। সেনা কর্মকর্তাদের এমন অমায়িক আচরণের পরেও যেন বিস্ময়ের ঘোর কাটছিল না ওই তরুণের।

সেনা সদস্যদের প্রস্থানের পরেই স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথা হয় ওই তরুণের। তিনি যে কথা বলেছেন তা প্রমিত বাংলায় দাঁড়ায়- ‘আমি সেনা সদস্যদের গাড়ি থেকে নামতে দেখে ভয় পেয়েছিলাম।

আমাদের মাঝে বদ্ধমুল একটি ধারণা ছিল তারা আচরণে কঠোর হবেন। কিন্তু তাদের এমন ভদ্র-বিনয়ী আচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’

বগুড়া শহরতলীর একটি উদাহরণ। ‘সাবান দিয়ে হাত ধুবো, জীবাণু থেকে মুক্ত হবো’ ‘বিদেশ ফেরত সকলে ঘরে অবস্থান করবেন’ এমন প্ল্যাকার্ড হাতে সড়কে হেঁটে যাচ্ছেন সেনা সদস্যরা। পথ চলতি এক রিকশা চালককে পেয়ে ঘরের বাইরে বের হওয়ার কারণ জানতে চাইলেন নম্র কন্ঠে।  

ভালোবাসার আবেশ ছড়িয়ে সেনা সদস্যরা তাঁর হাতে মাস্ক তুলে দিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাতের জীবাণু মুক্ত করে দিলেন।

সেখানকার একটি বাজারের পরিবেশ-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে প্রবেশ করলেন সেনা সদস্যরা। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে চড়া সুরে নয়, অমায়িক ভদ্রতার আবরণে বিনয়ী বাক্যে কথা বলতে শুরু করেন একজন সেনা কর্মকর্তা।

‘আমরা সবাই গ্লাভস ও মাস্ক পড়ে ঘুরছি একটি কারণে। আমরা সচেতন আমরা আপনাদের উৎসাহিত করছি, আপনারাও সচেতন হোন। আপনারা নিজেরা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। অযথা ঘরের বাইরে সময় কাটাবেন না।

যে কোন একজন আক্রান্ত হলে সবাই আক্রান্ত হবে। আমরা নেমেছি আপনাদের সুস্থতার জন্য। কেউ মাস্ক ছাড়া বাড়ি থেকে বের হবেন না।’

সেনা কর্মকর্তাদের ব্যবহারে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরে ইনসান আলী (৫৫) বলেন, ‘সত্যিই আমাদের দেশের সেনা সদস্যরা দেশ ও দেশের মানুষকে ভালোবাসে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের নিয়ে কত মিথ্যা প্রচারণা চলে। আজ আমিসহ অনেকেই স্বাক্ষী।

তারা আমাদের প্রতি কঠোর না হয়ে গভীর আন্তরিকতায় আমাদের সতর্ক করেছেন। নিজেকে নিরাপদ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। তারাই পারবেন দেশের মানুষকে নিরাপদ করতে।’

শুধু যশোর বা বগুড়া নয়, দেশের ৬২ টি জেলাতেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখে দিতে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় এভাবেই মাঠে মাঠে ছুটে বেড়াচ্ছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

এসব এলাকায় টহলের পাশাপাশি তারা মাইকিং করে বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে জনসাধারণকে রাস্তায় বের না হয়ে ঘরে অবস্থান করার আহবান জানাচ্ছেন।

প্রবাসীরা ঠিকঠাক হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন কীনা এই বিষয়টি তদারকি করতেও তাদের বাড়ি যাচ্ছেন। অনেকের হাতে তুলে দিচ্ছেন ফলমূল। আবার পথচলতি মানুষকে সুরক্ষার পরামর্শ দিয়ে ভালোবাসার প্রতীক ফুল তুলে দিচ্ছেন।

নিতপণ্যের বাজারে কীভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করতে হবে সেই পথও বাতলে দিচ্ছেন। সড়কে সড়কে তারা নিজেদের উদ্যোগে জীবাণু নাশক স্প্রে করছেন। সেনা সদস্যদের দেশজুড়ে টহল জনসমাবেশ এবং জনসমাগম কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করছে।

সবাইকে নিতান্ত প্রয়োজন ব্যতীত বাসায় থাকার জন্য সেনাবাহিনী অনুরোধ জানাচ্ছে। তাদের কার্যক্রমে সাধারণ মানুষের মাঝে ইতিবাচক  সাড়া পড়েছে।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ ইবনে জায়েদ কালের আলোকে জানান, মঙ্গলবার(৩১ মার্চ) দেশের ৬২ টি জেলায় সেনাবাহিনীর ৪৯৬ টি দল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

সেনা কর্মকর্তারাও বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা সবাই যেন ভেদাভেদ ভুলে একসাথে কাজ করি, এটিই সবার কাছে প্রত্যাশা। সেনাবাহিনী সব সময় কঠিন পরিস্থিতিতে জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।

বতর্মান করোনা পরিস্থিতিতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সরকারের নিদের্শনা বাস্তবায়ন করছে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী।

https://www.facebook.com/KalerAlo365/videos/216111272808009/

কালের আলো/এমএএএমকে

যমুনা সেতু দিয়ে পার হলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ হাজারের বেশি যানবাহন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
যমুনা সেতু দিয়ে পার হলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৩১ হাজারের বেশি যানবাহন

পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। এতে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। এর প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতুতেও, যেখানে দিন দিন বাড়ছে যানবাহন পারাপারের সংখ্যা।

স্বাভাবিক সময়ে যেখানে প্রতিদিন ২০ থেকে ২২ হাজার যানবাহন পারাপার হয়, সেখানে ঈদযাত্রার ব্যস্ততম সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সেতুটি দিয়ে চলাচল করেছে ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন। অর্থাৎ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৩১ হাজার বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সোমবার (২৫ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুর পূর্ব প্রান্ত দিয়ে ৩২ হাজার ১৮৬টি যানবাহন চলাচল করেছে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ টাকা।

অন্যদিকে পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে পারাপার হয়েছে ২১ হাজার ৬০টি যানবাহন। এ খাত থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা।

দুই প্রান্ত মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫৩ হাজার ২৪৬টি যানবাহন যমুনা সেতু ব্যবহার করেছে। একই সময়ে মোট টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকা।

এর আগের দিন রবিবার (২৪ মে) ২৪ ঘণ্টায় সেতুটি দিয়ে ৩৯ হাজার ৯১৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছিল এবং টোল আদায় হয়েছিল ৩ কোটি ২৫ লাখ ১৫ হাজার ৬৫০ টাকা। সেই হিসাবে একদিনের ব্যবধানে যানবাহন পারাপার বেড়েছে ১৩ হাজার ৩২৭টি এবং টোল আদায় বেড়েছে ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৫৫০ টাকা।

সোমবার রাত পর্যন্ত যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়, কোনাবাড়ি মোড়, সায়দাবাদ, কড্ডার মোড় ও নলকা এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, যানবাহনের চাপ ক্রমাগত বাড়লেও কোথাও যানজট নেই। বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলে করে মানুষ বাড়ির পথে

মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। নির্ধারিত স্থান ছাড়া কোথাও যানবাহন থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা করতে দেওয়া হচ্ছে না।

কালের আলো/এএন/এমএসআইপি 

ময়মনসিংহে চাঁদা না পেয়ে বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে হামলার অভিযোগ

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহে চাঁদা না পেয়ে বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে হামলার অভিযোগ

ময়মনসিংহে “চাঁদনী ফুড প্রোডাক্টস” নামের একটি বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে হামলা, ভাঙচুর, মারধর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২৫ মে) নগরের কোতোয়ালী থানাধীন মধ্যবাড়েরা ২৬ নম্বর ওয়ার্ড হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই সহোদর আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ফ্যাক্টরির ম্যানেজার এনামুল হক সুমন (৩২) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার বিকেলে মধ্যবাড়েরা এলাকার বাসিন্দা মোঃ আপন মিয়া কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফ্যাক্টরির ম্যানেজার এনামুল হক সুমন (৩২) এর বড় ভাই মোঃ হুরমুজ আলী দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় “চাঁদনী ফুড প্রোডাক্টস” নামে বিস্কুট ফ্যাক্টরি পরিচালনা করে আসছেন। স্থানীয় ফয়সাল আহমেদ বাবু (৩০), শাহ আলী (৪০), জুনাইদ, আলমাছ, আকাশ মিয়া, রিয়েন, হৃদয় মিয়া, নাহিদ মিয়া, শামীম মিয়া ও আসিফ মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজন দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাক্টরিতে এসে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করত।

অভিযোগ অনুযায়ী, সোমবার (২৫ মে) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করে গালিগালাজ শুরু করে। এ সময় আপন মিয়ার ছোট ভাই এনামুল হক সুমন প্রতিবাদ করলে তাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তরা লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে তাকে আহত করে এবং শ্বাসরোধের চেষ্টাও চালায়।

এ সময় ফ্যাক্টরির স্বত্বাধিকারী হুরমুজ আলী এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ফ্যাক্টরির ক্যাশ থেকে নগদ দুই লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার এবং ভাঙচুর করে প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত এনামুল হক সুমনকে (৩২) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগকারী আপন মিয়া বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এলাকায় মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তারা অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমার দুই ভাইকে আহত করেছে এবং ফ্যাক্টরিতে ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুট করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

তবে এসব ঘটনা অস্বীকার করেছেন ফয়সাল আহমেদ বাবু। তিনি বলেন, এমন কোনো ঘটনা আমরা করিনি, আপনারা এলাকায় এসে তদন্ত করে দেখেন।

মারামারির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ফ্যাক্টরির কারিগর উজ্জ্বল মিয়া বলেন, আজ সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহত একজন ময়মনসিংহ মেডিকেলে ভর্তি আছেন।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

ছুটির দিনে ৩ কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ণ
ছুটির দিনে ৩ কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি

সরকারি ছুটির দিনে সরকারের তিনজন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে বর্তমান একজন সচিবকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত (সচিব) করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এই রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার তিন কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) ফারাহ্ শাম্মীকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের (সমন্বয় ও সংস্কার) সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আতাউর রহমান খানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাসির-উদ-দৌলাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সচিব) করা হয়েছে।

পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব কাজী আনোয়ার হোসেনকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত সচিব করা হয়েছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি