খুঁজুন
                               
বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

সভাপতির বিষয়ে সরকারি দল আলোচনা করতে পারতো: বিরোধীদলীয় উপনেতা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
সভাপতির বিষয়ে সরকারি দল আলোচনা করতে পারতো: বিরোধীদলীয় উপনেতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদে সভাপতি করার প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছে বিরোধী দল। তবে ‘সরকারি দল এই প্রস্তাবের আগে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করতে পারতো’ বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতেই সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন এবং গণঅভ্যুত্থানে জড়িতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবনা অনুযায়ী স্পিকার হিসেবে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম উত্থাপন করা হয়। সরকারি দলীয় সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রস্তাবকে সমর্থন দেন। সংসদের নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত না হওয়ার পর্যন্ত তিনি আপাতত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন।

বিরোধী দলের সমর্থনের পরেও ডা. তাহের সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, একজন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিকে সভাপতি করার আগে সরকারি দল বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করলে সংসদীয় ঐক্য আরও দৃঢ় হতো।

এদিকে প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্ব করার দায়িত্ব প্রদান করায় খন্দকার মোশাররফ হোসেন সকল সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

চতুর্থ বারের মতো সরকার গঠন করা বিএনপিকে ও প্রথমবারের মতো বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।

কালের আলো/এসআর/এএএন

স্মৃতির দহন

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
স্মৃতির দহন

ইকরাম আকাশ

আমি ভুলে যেতে চাই
সেই দিনগুলি,
যে দিনগুলি ছিলো শুধু
বেদনার স্মৃতি।

আমি ভুলে যেতে চাই অতীতের কথা,
যেখানে ছিলো শুধুই লোচন-বারি।
আমি ভুলে যেতে চাই,ভুলে যেতে চাই
আমার স্মৃতিকাতুরে সকল আর্তি।

আমি পুড়িয়ে দিতে চাই অতীতের
সেই সব জীর্ণ পাণ্ডুলিপি,
যেখানে উন্মাদনায় জড়িয়ে ছিলো
উপাখ্যানের সকল স্মৃতি।

এম/এএইচ

শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ণ
শাবিপ্রবিতে শিবিরের আয়োজনে ‘বখরা ঈদের খানি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হলে ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রশিবির।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজনের অংশ হিসেবে ঈদের দিন (২৮ মে) রাতে হল ও মেসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। এ লক্ষ্যে গুগল ফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করছে সংগঠনটি।

শাবিপ্রবি শিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদুল আজহা আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের উৎসব। কিন্তু বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী ঈদের সময় ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে। তাদের যেন ঈদের আনন্দ থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না হয়, সেজন্যই এই ‘বখরা ঈদের খানি’ আয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির সবসময় শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঈদের দিন এই আয়োজন করা হবে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
সিনেমাপ্রেমীদের জন্য সুখবর দিলেন বিজয়

দক্ষিণী তারকা থালাপতি বিজয় এবার সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নিয়ে এলেন সুখবর। তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনুরোধে রাজ্যের সব প্রেক্ষাগৃহে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার জন্য প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিজয়। সেখানে নতুন সিনেমার প্রচার ও ব্যবসা বাড়ানোর স্বার্থে প্রেক্ষাগৃহে দৈনিক শোর সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকাশ করা হয় নতুন এই নির্দেশনার কথা।

এর আগে তামিলনাড়ু সিনেমা (রেগুলেশন) বিধিমালা, ১৯৫৭ অনুযায়ী নতুন সিনেমার জন্য দিনে চারটি শো প্রদর্শনের অনুমতি ছিল। শুধুমাত্র সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব কিংবা বিশেষ দিনে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে অতিরিক্ত একটি শো চালানো যেত।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে নতুন মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার ক্ষেত্রে প্রথম সাত দিন প্রতিদিন পাঁচটি করে শো চালানো যাবে। এছাড়া সিনেমা মুক্তির প্রথম সপ্তাহ, সরকারি ছুটি, স্থানীয় উৎসব এবং শনি-রোববার বাড়তি শোর জন্য আর আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ সিনেমার ব্যবসা বাড়ানোর পাশাপাশি দর্শকদের জন্যও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ফলে বিজয়ের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন নির্মাতা, প্রযোজক ও প্রেক্ষাগৃহ মালিকরা।

কালের আলো/এম/এএইচ