খুঁজুন
                               
, ,
           

ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকেই অর্থনীতি নতুন করে পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হোক

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকেই অর্থনীতি নতুন করে পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হোক

মূল্যস্ফীতির অব্যাহত চাপ এবং দীর্ঘদিনের নানা সংকটে বিপর্যস্ত অর্থনীতিকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি জনতুষ্টির বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য জাতীয় সংসদে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করেছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাতীয় এই বাজেট বিএনপি সরকারের ১৭তম এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

বাজেট বক্তব্যে বলা হয়, ফ্যাসিবাদী সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্যবহার করে অর্থনীতিতে সীমাহীন দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাট করেছে। এর মাধ্যমে সব প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ও ধ্বংস করা হয়েছে। তথাকথিত উন্নয়নের স্লোগান দিয়ে লুটপাট ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে অর্থনীতির মূলভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছে। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে অর্থনৈতিক নীতি ও পরিকল্পনায় বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে ক্ষুদ্র দলীয় ও গোষ্ঠীগত দুরভিসন্ধিই ছিল প্রধান প্রবণতা। ফলে একদিকে এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ সম্পদ দুর্নীতি ও দুর্বৃত্তায়নের মাধ্যমে মুষ্টিমেয় লুটেরাদের হস্তগত হয়েছে। একই সঙ্গে সম্পদ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। অন্যদিকে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যর্থতাগুলো ঢাকা হয়েছে মিথ্যা পরিসংখ্যান ও কথার ফুলঝুরি দিয়ে। ফলে রাষ্ট্র গঠণের মূল চালিকা শক্তি অর্থাৎ অর্থনৈতিক ইঞ্জিন বিগত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ক্রমেই দুর্বল হতে হতে একেবারে ধ্বংস হয়েছে। বিএনপি সেই ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকেই নতুন করে পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

অর্থনীতিতে অবদান কম এবং মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে এমন খাতগুলোকে প্রস্তাবিত অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এসব খাতকে সামনে নিয়ে আসা হবে। এর মধ্যে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি, ক্রীড়া অর্থনীতি, সবুজ অর্থনীতি এবং সুনীল অর্থনীতি। এসব খাতকে জাতীয় অর্থনীতির একেবারে কেন্দ্রে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে বাজেটে। এসব খাতের অনুকূলে প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এসব খাতে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৈচিত্র যেমন আসবে, তেমনি ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি বাড়বে কর্মসংস্থানের হার। বাজেটে আশংকা প্রকাশ করে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার কারণে কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহের ওপর প্রভাব পড়তে পারে। বাইরের ধাক্কা এলে তা মোকাবিলা অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিয়ে আঘাতের মাত্রাকে কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটে মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সব ধরনের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে মেধা, সততা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ যোগ্যতাই প্রধান মাপকাঠি হিসাবে বিবেচিত হবে। এ লক্ষ্যে সরকার থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মেধার ভিত্তিতে তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও তাদেরকে কম সুদে ঋণ সুবিধা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে সব ক্ষেত্রে মেধার চর্চা করে সরকার দেশে বিদেশে মেধার বিকাশ ঘটাতে চাচ্ছে। বিদেশে চাকরি করার ক্ষেত্রে মেধাবীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার ক্ষমতায় এসেই কৃষক কার্ড চালু করেছে। এ খাতে আগামী অর্থবছরের বাজেটে কৃষক কার্ড বাবদ ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা ১০টি সেবা পাবেন। আগামী অর্থবছরে আরও ১০০টি উপজেলায় সাড়ে ৪২ লাখ কৃষককে কার্ড দেওয়া হবে। দেশের সব কৃষককে পর্যায়ক্রমে এ কার্ড দেওয়া হবে। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার সুদসহ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেছে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কৃষকদের সহায়তা করতে ১০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে। এ তহবিল থেকে কম সুদে ঋণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি কৃষিতে অন্যন্য খাতেও ভর্তুকি বাড়ানো হয়েছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠত্বে পুরস্কার, বাহিনীজুড়ে প্রেরণা

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠত্বে পুরস্কার, বাহিনীজুড়ে প্রেরণা

পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্ববোধ ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ২০২৫ সালের শ্রেষ্ঠ সাত সদস্যকে ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হয়েছে। বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেছেন, এ সম্মাননা কর্মক্ষেত্রে সফলতার স্বীকৃতি; একই সঙ্গে এটি অন্য সদস্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে।

  • অসাধারণ দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমের স্বীকৃতি
  • সম্মাননা কর্মক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে
  • পুরস্কার অন্যদেরও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা হবে: বিমান বাহিনী প্রধান

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার)-দের হাতে ট্রফি ও সনদপত্র তুলে দেন বিমান বাহিনী প্রধান। দায়িত্ব পালনে অসাধারণ অবদানের জন্য সাত সদস্যের হাতে দেওয়া এই ট্রফি ও সনদ শুধুমাত্র একটি পুরস্কার নয়; বিমান বাহিনীর পেশাগত উৎকর্ষের ধারায় নিজেদের আরও এগিয়ে নেওয়ার জন্য সদস্যদের প্রতি একটি প্রাতিষ্ঠানিক উৎসাহ হিসেবেও বিবেচিত।

পুরস্কারের মঞ্চে বিমান বাহিনী প্রধানের বার্তা
ট্রফি ও সনদপত্র বিতরণ শেষে উপস্থিত সদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন বিমান বাহিনী প্রধান। সম্মাননাপ্রাপ্ত সাত সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তাঁদের অর্জনকে দায়িত্ব পালনে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, কর্মক্ষেত্রে অর্জিত এই সম্মান শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বীকৃতি নয়; এটি অন্য সদস্যদের আরও নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে।

সাতজনের হাতে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি
অসাধারণ পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব সুচারুরূপে সম্পন্ন করার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৫ সালের জন্য সাতজন বিমানসেনা ও এমওডিসি (এয়ার) সদস্যকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ট্রফি ও সনদপত্র গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁদের পেশাগত অবদান আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল। বিমান বাহিনীতে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উৎকর্ষ, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠাকে উৎসাহিত করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

ব্যক্তিগত অর্জন থেকে প্রাতিষ্ঠানিক প্রেরণা
একজন সদস্যের ভালো কাজ যখন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়, তখন তার প্রভাব ব্যক্তিগত গণ্ডি ছাড়িয়ে পুরো কর্মপরিবেশে পড়ে। বিমান বাহিনীর শ্রেষ্ঠ সদস্য নির্বাচনের এই উদ্যোগও সেই লক্ষ্যেই গুরুত্বপূর্ণ। বিমান বাহিনী প্রধানের বক্তব্যে সেই দিকটিই উঠে এসেছে—শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী সদস্যরা নিজেদের সাফল্যের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বনিষ্ঠার উদাহরণ তৈরি করবেন। ফলে সম্মাননাটি একই সঙ্গে স্বীকৃতি ও প্রেরণার বার্তা বহন করছে। অনুষ্ঠানে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধানরা, বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটের এয়ার অধিনায়ক, বিমান সদরের পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

গবেষণা-উদ্ভাবনে বুটেক্সে জাতীয় প্রতিযোগিতা

কাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
গবেষণা-উদ্ভাবনে বুটেক্সে জাতীয় প্রতিযোগিতা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুটেক্স) ৩০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা ‘টেক্সভার্স ২.০’। বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের আয়োজনে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

৩০ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব। বুটেক্সের অডিটোরিয়াম, সেমিনার কক্ষ, একাডেমিক ভবন ও কেন্দ্রীয় মাঠে আলাদাভাবে আয়োজন করা হবে বিভিন্ন ইভেন্ট।

গবেষণা ও উদ্ভাবনে তরুণদের আগ্রহ বাড়ানোর লক্ষ্য

আয়োজকদের মতে, শিক্ষার্থীদের গবেষণা, উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি তাদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলাই ‘টেক্সভার্স ২.০’-এর অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে টেক্সটাইল খাতের বাস্তব সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে তরুণদের উৎসাহিত করাও এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় থাকবে প্রজেক্ট প্রদর্শনী, গবেষণাভিত্তিক পোস্টার উপস্থাপনা, কুইজ, টেক্সটাইল কেস প্রতিযোগিতা, ট্রেজার হান্ট, প্রবন্ধ লেখা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ প্রতিযোগিতা।

অন্যদিকে, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হবে বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখা, গণিত অলিম্পিয়াড, পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও রসায়ন অলিম্পিয়াড।

এক ক্যাম্পাসে নানা আয়োজন

আয়োজকেরা জানান, প্রতিযোগিতার বিভিন্ন পর্ব বুটেক্স ক্যাম্পাসের পৃথক ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে প্রজেক্ট প্রদর্শনী, পোস্টার উপস্থাপনা ও টেক্সটাইল কেস প্রতিযোগিতা। সেমিনার কক্ষে হবে কুইজের মঞ্চ পর্ব।

একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হবে কুইজের লিখিত পর্ব, বিভিন্ন অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান কল্পকাহিনি লেখা প্রতিযোগিতা। কেন্দ্রীয় মাঠে আয়োজন করা হবে ট্রেজার হান্ট। এ ছাড়া প্রবন্ধ লেখা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ভিডিও নির্মাণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে অনলাইনে।

প্রতিযোগিতার প্রতিটি ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকবে অংশগ্রহণ সনদ। পাশাপাশি প্রতিটি বিভাগের চ্যাম্পিয়ন, প্রথম রানারআপ ও দ্বিতীয় রানারআপকে সনদ, ক্রেস্ট ও প্রাইজমানি দেওয়া হবে।

‘শুধু প্রতিযোগিতা নয়, গবেষণার সংস্কৃতি গড়াই লক্ষ্য’

বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি ও ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রুবায়েত রশীদ রনি বলেন, ‘টেক্সভার্স ২.০-এর মাধ্যমে আমরা তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা সবার সামনে তুলে ধরতে চাই।’

তিনি বলেন, আয়োজনটির লক্ষ্য শুধু একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তোলার পাশাপাশি টেক্সটাইল শিল্পের বাস্তব সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে তাদের অনুপ্রাণিত করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ফেব্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী কে এম শফিক রাইয়্যান বলেন, ‘টেক্সভার্স ২.০-এর মূল উদ্দেশ্য দেশের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার আগ্রহ সৃষ্টি করা।’

তার ভাষ্য, এ আয়োজনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা দেশের টেক্সটাইল খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সামনে উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন, যা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

১৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধন

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘টেক্সভার্স ২.০’-এ অংশগ্রহণের জন্য আগামী ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইনের পাশাপাশি বুটেক্স ক্যাম্পাসে স্পট নিবন্ধনের মাধ্যমেও অংশ নিতে পারবেন।

প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগ, নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও বিস্তারিত নির্দেশনা বুটেক্স সায়েন্স ক্লাবের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে পাওয়া যাবে।

কালের আলো/এসএ

সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমারের সম্পদের হিসাব চায় দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমারের সম্পদের হিসাব চায় দুদক

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদারের সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. তানজির আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দুদক জানিয়েছে, প্রলয় কুমার জোয়ারদারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও চোরাচালানে জড়িত থাকা এবং অবৈধভাবে অর্জিত অর্থের মাধ্যমে দেশে-বিদেশে আবাসিক সম্পদ গড়ে তুলে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রলয় কুমারের নামে ৯২ লাখ ১৪ হাজার ৮৭২ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে দুদক। একই অনুসন্ধানে তার প্রয়াত স্ত্রী বিপ্লবী রানীর নামে ৩৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭৩৪ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদের প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছে সংস্থাটি।

দুদক জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী প্রলয় কুমারের সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর প্রলয় কুমার জোয়ারদারের চার দেশে ছয়টি বাড়ি থাকার অভিযোগের অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে আবেদন করেছিলেন এক আইনজীবী।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি