খুঁজুন
                               
, ,
           

নানকের সহকারী বিপ্লবের নির্দেশে হাদিকে হত্যা, জবানবন্দিতে রুবেল

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
নানকের সহকারী বিপ্লবের নির্দেশে হাদিকে হত্যা, জবানবন্দিতে রুবেল

ভারতে পলাতক জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী মাসুদুর রহমান বিপ্লবের নির্দেশে ফয়সাল করিম মাসুদ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা করে বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িচালক রাজ্জাক মাতব্বরের ছেলে মো. রুবেল আহমেদ।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান সামি এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা জানান।

জুলকারনাইন সায়ের খান তার ফেসবুকে লেখেন, রুবেল আহমেদের কথা আপনাদের মনে আছে নিশ্চয়? ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িচালক রাজ্জাক মাতব্বরের ছেলে মো. রুবেল আহমেদ।

গত বছরের ১৫ জানুয়ারি বহুল আলোচিত কলকাতার পার্ক হোটেলের একটি সভায় এই রুবেল ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিল।

পরবর্তীতে তাকে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর আত্মগোপনে থেকে রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির তৎপরতায় সংশ্লিষ্টতার কারণে তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজানের সার্বিক নির্দেশনায় এডিসি ও এসি মোহাম্মদপুর জোন এবং ওসি মোহাম্মদপুর থানা কর্তৃক পরিচালিত এক অভিযানে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ গভীর রাতে বছিলা মেট্রো হাউজিং এলাকা থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই গ্রেপ্তারের পর ৩০ এপ্রিল ২০২৫ রুবেল আহমেদ সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেয়ে বের হয়। ঘটনা ইন্টারেস্টিং মোড় নেয় ২১ জানুয়ারি ২০২৬। এদিন মধ্যরাতে জামিনে থাকা রুবেল আহমেদকে রাজধানীর কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কারণ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যা মামলায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান রাহুল ওরফে শুটার ফয়সালের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে এই রুবেল আহমেদকে চিহ্নিত করা হয় এবং ওসমান হাদি মামলায় তাকে আসামি করা হয়।

এর একদিন পর ২২ জানুয়ারি ২০২৬ আদালতে রুবেলকে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঁঞা। তবে আদালত ৬ দিন রিমান্ডের আদেশ দেন।

রিমান্ড শেষে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইলের খাস কামরায় রুবেল আহমেদ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন, যা এই পোস্টে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জবানবন্দিতে রুবেল আহমেদ উল্লেখ করেন, ছাত্রনেতা ওসমান হাদি এবং ইউটিউবার কাফিকে হত্যার নির্দেশ দেয় ভারতে পলাতক জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী বিপ্লব। এবং সে লক্ষ্যে ৩ নভেম্বর ২০২৫, রুবেলের উপস্থিতিতে হত্যা মামলার অপর আসামি কামরুজ্জামান রুবেলকে ফোন করেন বিপ্লব।

রুবেল জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, যে শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ এবং বিভিন্ন বাজে মন্তব্যের কারণে এই দুই ব্যক্তিকে ২০/২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে সরিয়ে দিতে (হত্যা) নির্দেশ দেওয়া হয়।

জবানবন্দিতে রুবেল লিখেছেন— কামরুজ্জামান রুবেল ফয়সালের কাছে কিছু টাকা পান, কিন্তু সে টাকাটা ফেরত দিচ্ছে না, তাই ফয়সালকে কাজটা দিয়ে পূর্বের টাকাটা তুলতে হবে। আর ফয়সালও কাজ খুঁজছে।

বিপ্লব (নানকের পিএস) কাজটা কামরুজ্জামান রুবেলকে দিয়েছে, আর সে কাজটা ফয়সালকে দিয়েছে ‘হাদি’কে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার কাজ। জবানবন্দিতে এসবের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।

রুবেলের জবানবন্দিতে স্পষ্টতই বোঝা যায় যে আওয়ামী লীগ নেতা নানকের সহকারী বিপ্লবের নির্দেশে হাদি হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। আশা করছি ফয়সাল ও আলমগীরের মতো বিপ্লবকে গ্রেপ্তার করে দেশে ফেরাতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

একই সঙ্গে বিপ্লব কার আদেশে এই হত্যার হুলিয়া দেয় এবং কারা অর্থের যোগানদাতা— সেসবও তদন্তের মাধ্যমে বের করা গুরুত্বপূর্ণ। রুবেল আহমেদ যদি তার জবানবন্দিতে সব সত্য তথ্য প্রদান করে থাকেন, তাহলে যা দাঁড়ায় তা হলো— তিনি ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর জানতে পারেন যে হাদি ও কাফিকে হত্যার পরিকল্পনা হচ্ছে এবং কারা তা ঘটাতে পারে। সেসব জেনেও তিনি কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে অবগত করেননি। উল্লেখ্য, এসময় রুবেল আহমেদ জামিনে মুক্ত ছিলেন।

জুলকারনাইন সায়ের তার ফেসবুক পোস্টের লিংকে ১৬৪ ধারায় দেওয়া রুবেলের জবানবন্দি, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি ও লিংক কমেন্টে দেন।

কালের আলো/এসএম/এএএন

মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ
মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

মার্কিন আগ্রাসনের ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের ‘কঠোর জবাব’ দেবে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী। হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনায় ওয়াশিংটনকে হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না। বুধবার (৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আমেরিকান সন্ত্রাসবাদের’ কোনো জবাব না দিয়ে ছাড় দেওয়া হবে না। এই নৌপথের বিষয়ে ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপের প্রচেষ্টা ‘কোনো অবস্থাতেই’ মেনে নেওয়া হবে না।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর জন্য একমাত্র নিরাপদ পথ হলো ইসলামী প্রজাতন্ত্র কর্তৃক নির্ধারিত পথ।

এতে আরও বলা হয়েছে, ইরানে এ ধরনের হামলা গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অধীনে থাকা ‘যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রতি সম্পূর্ণ অবজ্ঞা’ প্রকাশ করে।

এর আগে ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশের সিরিক কাউন্টি ও কেশম দ্বীপের কাছে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিং (আইআরআইবি) জানিয়েছে, সিরিকের মৎস্য ও বাণিজ্যিক বন্দরে শত্রুপক্ষের হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

সেন্টকম জানিয়েছে, ইরানের নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে সবশেষ দফায় অন্তত ৮০টি হামলা চালানো হয়েছে। এতে ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় রাডার স্থাপনা এবং জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে নিশানা করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য করিডোরে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা হ্রাসের লক্ষ্যে প্রণালির ভেতরে ও আশপাশে অবস্থানরত ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ৬০টিরও বেশি ছোট নৌকায়ও হামলা চালানো হয়েছে।

সেন্টকম জানিয়েছে, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রমকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর ইরানের হামলার জবাবে এ হামলা চালানো হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি 

জিএমপিতে ছয় মাসে ১৮৫৪ মামলা, গ্রেফতার ৩২১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:০৩ পূর্বাহ্ণ
জিএমপিতে ছয় মাসে ১৮৫৪ মামলা, গ্রেফতার ৩২১৭

গাজীপুর মহানগর এলাকায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গত ছয় মাসে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মোট ১ হাজার ৮৫৪টি মামলা করা হয়েছে। একই সময়ে এসব মামলায় ৩ হাজার ২১৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে জিএমপি সদর দফতরের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার।

পুলিশ কমিশনার জানান, গত ছয় মাসে রুজু হওয়া মামলার মধ্যে রয়েছে, হত্যা মামলা ২০টি, ডাকাতি ও ছিনতাই, ডাকাতি ৭টি এবং ছিনতাই ২৮টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ১৭৬টি, মাদক ও অস্ত্র সংক্রান্ত মাদক ৮১২টি এবং অস্ত্র মামলা ৬০টি, অন্যান্য অপরাধ, সিঁধেল চুরি ১৬টি এবং অন্যান্য ধারায় ৭৩৫টি মামলা।

অভিযানে ১০টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি, একটি গুলির খোসা, ৪টি ম্যাগাজিন এবং বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া জব্দ করা হয়েছে ৫১,৫৬০ পিস ইয়াবা, ৩৫৭ কেজি ৩৬৫ গ্রাম গাঁজা, ১ কেজি ৯৬৫ গ্রাম হেরোইন, ৫৩০ পিস প্যাথেডিন, ৪৬ লিটার দেশীয় মদ, ১৫১ লিটার বিদেশি মদ এবং ২৭৬ বোতল ফেনসিডিল।

মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, সম্প্রতি মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা মিছিলের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সদর, বাসন, কোনাবাড়ী, গাছা ও টঙ্গী পশ্চিম থানায় মোট ৭টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় ইতোমধ্যে ৯৫ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মিছিলে অংশগ্রহণ, সহায়তা ও অর্থায়নের অভিযোগে আরও শতাধিক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পুলিশ কমিশনার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের প্রকাশ্য বা গোপন কার্যক্রম, অর্থায়ন কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের পক্ষে প্রচারণা চালানোও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অপরাধ। যারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহানগরের মাজার বস্তি, কেরানীর টেক, ব্যাংকের মাঠ ও এরশাদ নগরসহ বিভিন্ন মাদকপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শীর্ষ মাদক কারবারিদের সম্পদের অনুসন্ধান করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ছিনতাই প্রতিরোধে বিশেষ চেকপোস্ট, টহল এবং ব্লক রেইড পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেফতার হওয়া অধিকাংশ ছিনতাইকারীই পুনরায় একই অপরাধে জড়ানোর কারণে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কিশোর গ্যাং দমনে সদস্যদের তালিকা প্রস্তুত করে তথ্যভিত্তিক সমন্বিত অভিযান পরিচালনার কথা জানানো হয়।

টঙ্গী পূর্ব থানার পাগাড় বিসিক মার্কেট এলাকায় ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মহড়ার ঘটনায় একটি মামলা করে এ পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া অন্যদের শনাক্তের কাজ চলছে।

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও পুলিশি তৎপরতায় অপহরণ ও ‘হানি ট্র্যাপ’-এর মতো অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। পাশাপাশি বেওয়ারিশ মরদেহ ফেলে যাওয়ার ঘটনাও নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

খুনের মামলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে পুলিশ কমিশনার জানান, ২০২৩ সালে ৯৪টি, ২০২৪ সালে ৯৬টি এবং ২০২৫ সালে ৮১টি হত্যা মামলা হলেও চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তা কমে ২০টিতে দাঁড়িয়েছে। যার মধ্যে মাত্র একটি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।

তিনি বলেন, জিএমপি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহিদ হোসেন ভূঁইয়া (পিপিএম), এস এম আশরাফুল আলম (পিপিএম), মোহাম্মদ মহিউল ইসলাম, মো. শফিকুল ইসলাম, সাহেব আলী পাঠান, অশোক কুমার পাল (পিপিএম), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ইয়াসমীন সাইকা পাশা, স্টাফ অফিসার খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ এবং বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহা. হারুন-অর-রশিদসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, হাতেনাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, হাতেনাতে গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী

রাজধানীর মিরপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গুলি করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ অভিযুক্ত একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭জুলাই) রাত সোয়া ৯ টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের ফলপট্টি-সংলগ্ন চৌরঙ্গী মার্কেটের দক্ষিণ পাশের একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সাইফুল ইসলাম সিজু (৪০) মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী সাইদুল জানান, রাতে মুন্সি বাড়ি রোডে সাইফুল ইসলাম সিজু তার নিজ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় হঠাৎ জাকির হোসেনের শান্তর (২৭) নেতৃত্বে ৩/৫জন এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে সাইফুলের কোমরে এবং দুই পায়ে গুলি লাগে।

সিজু গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ​গোলাগুলির শব্দে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পথচারীরা দিকবিদিক ছুটোছুটি করতে থাকেন। তবে ঘটনার পরপরই পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কিছু জনতা ধাওয়া করে এক যুবককে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করে। পরবর্তীতে তাকে মিরপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, পূর্বশত্রুতার জেরে শান্ত ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে সাইফুল ইসলাম সিজুকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে শান্ত ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি রিভলভার ও চার রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি