খুঁজুন
                               
, ,
           

যশোরে দ্রুত চালু হবে পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ সেবা:বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
যশোরে দ্রুত চালু হবে পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ সেবা:বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

যশোরবাসীর জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) সেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় যশোর সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত যশোর জেলা হাসপাতাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গুরুতর হৃদরোগীদের চিকিৎসার জন্য যাতে অন্য জেলায় যেতে না হয়, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর অগ্রগতি সভায় পর্যালোচনা করা হয়েছে।

তিনি জানান, আগের সভার সিংহভাগ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে। অবশিষ্ট কাজগুলো দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে হাসপাতালের সেবার মান আরও উন্নত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সভায় যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান সভাপতিত্ব করেন। এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিরা নাজমুল মুন্নি, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াতসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে দেশের গ্যাস ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরে থাকা দুটি এফএসআরইউ থেকে এলএনজি খালাসে সাময়িক সমস্যা হয়েছিল। তবে শুক্রবার সকাল ৭টা ১৮ মিনিট থেকে পুনরায় খালাস শুরু হয়েছে। বিকেলের মধ্যে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল ও কমলে দেশে দ্রুত জ্বালানির দাম সমন্বয়ের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।

কালের আলো/এমএসআইপি 

কদমতলীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নারী শ্রমিকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
কদমতলীতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নারী শ্রমিকের মৃত্যু

রাজধানীর কদমতলীতে নির্মাণাধীন ভবনের ৫তলা থেকে পড়ে জোসনা বেগম (৩৫) নামে এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে কদমতলী শনিরআখড়া ২৪ ফুট রাস্তা সাফা টাওয়ার নির্মাণাধীন ভবনে ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে সহকর্মীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক আড়াইটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে জোসনা বেগমের সহকর্মী মো. ইউনুস আলী জানান, জোসনা নির্মানাধীন ভবনের ময়লা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করতো। সকাল থেকে ময়লা পরিস্কারের কাজ করছিল সে। এসময় অসাবধানতাবশত ৫তলার লিফটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয় জোসনা। এরপর তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জোসনাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, জোসনা বেগমের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন শান্তিপুর গ্রামে। বর্তমানে স্বামী মধু মিয়ার সঙ্গে শনিরআখড়া গোবিন্দপুর এলাকায় ধাকতো।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কদমতলি থানা পুলিশ তদন্ত করছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নজরুলের পৌরুষ শুধু বীরত্ব নয়, এর গভীরে ছিল অভিমান, প্রেম ও আত্মদান

সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
নজরুলের পৌরুষ শুধু বীরত্ব নয়, এর গভীরে ছিল অভিমান, প্রেম ও আত্মদান

কাজী নজরুল ইসলামের পৌরুষকে শুধু বীরত্ব বা শক্তির প্রকাশ হিসেবে দেখলে তাঁর সৃষ্টিশীল সত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আড়ালে থেকে যায়। তাঁর পৌরুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিল অভিমান, প্রেম, বিপন্নতা, আত্মদান এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সাহস। উপনিবেশ, জাতপাত ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে তাঁর লড়াইয়ে এই বহুমাত্রিক পৌরুষই ভিন্ন এক চরিত্র তৈরি করেছিল।

বুদ্ধদেব বসুর চোখে নজরুল ছিলেন বলিষ্ঠ শরীরের পাশাপাশি অফুরান আনন্দে ভরপুর এক ‘মনোলুণ্ঠনকারী’ মানুষ। তাঁর শারীরিক উপস্থিতির মতো সাহিত্যেও ছিল প্রবল প্রাণশক্তি। প্রচলিত ভদ্রলোকসুলভ পৌরুষের বদলে নজরুলের লেখায় দেখা যায় এমন এক সত্তা, যে পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে ধারণ করে এবং নতুন সময়ের অনুভবকে ভাষা দিতে চায়।

অভিমানী পৌরুষ

নজরুলের পৌরুষের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল অভিমান। তিনি নিজেই নিজেকে ‘অতিরিক্ত অভিমানী’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এই অভিমান কেবল অহমিকা নয়; এর মধ্যে ছিল ভালোবাসা, নৈকট্য ও সম্পর্কের টানাপোড়েন। প্রিয়জনের প্রতি অভিমান যেমন দূরত্ব তৈরি করে, তেমনি সেই দূরত্ব ভেঙে আবার কাছে আসার আকাঙ্ক্ষাও বহন করে।

এই জায়গাতেই নজরুলের পৌরুষ প্রচলিত কঠোর পুরুষত্বের ধারণা থেকে আলাদা। তাঁর পৌরুষ ছিল অনুভবপ্রবণ, শরীরী, রক্তাক্ত ও আবেগময়। তাঁর লেখায় রক্ত, অশ্রু, প্রেম, বেদনা ও আকাঙ্ক্ষা একই সঙ্গে উপস্থিত। ফলে তাঁর বীরত্বের সঙ্গে বিপন্নতাও পাশাপাশি অবস্থান করেছে।

তবে এই অনুভবপ্রবণতা তাঁকে ভীরু করেনি। বরং তাঁর পৌরুষ ছিল বীরত্বব্যঞ্জক। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন যোদ্ধার মতো—শুধু সৈনিকের মতো নিয়ম মেনে চলা নয়, প্রয়োজন হলে প্রচলিত নিয়মের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়া ছিল তাঁর চরিত্রের অংশ।

বীরত্বের কেন্দ্রে আত্মদান

নজরুলের বীরত্ব ছিল দখল বা আধিপত্যের বীরত্ব নয়। এর কেন্দ্রে ছিল আত্মদান। জুলুম ও উপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে যে শক্তির প্রয়োজন, নজরুল সেই শক্তির সাধনার কথা বলেছেন। তাঁর কাছে পৌরুষ মানে ছিল নিজের স্বার্থ রক্ষা কিংবা অন্যকে দমন করা নয়; বরং বৃহত্তর মুক্তির জন্য নিজের শক্তি ও প্রাণশক্তি উৎসর্গ করা।

এই কারণেই নজরুলের পৌরুষকে আগ্রাসী পুরুষত্বের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না। প্রেমের ক্ষেত্রেও তিনি জবরদখল বা জোর করে অধিকার প্রতিষ্ঠার ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর কাছে প্রেম মানে প্রিয় মানুষকে নিজের সম্পত্তি করে রাখা নয়।

জাতপাত ও পরিচয়ের দেয়াল ভাঙা

নজরুলের বিদ্রোহ শুধু ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সীমাবদ্ধ ছিল না। জাতপাত, ধর্মীয় বিভাজন ও সামাজিক পরিচয়ের সংকীর্ণতার বিরুদ্ধেও তাঁর অবস্থান ছিল স্পষ্ট।

তিনি নিজের পরিচয়কে অস্বীকার না করেও পরিচয়বাদী বিভাজনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। জাতপাতের কাঠামো মানুষকে যে কৃত্রিম শ্রেণিতে ভাগ করে, নজরুল সেই কাঠামোকেই প্রশ্ন করেছেন। সমাজের প্রান্তিক মানুষের পরিচয় ও মর্যাদা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা তাঁর সাহিত্যকর্মে বারবার দেখা যায়।

‘সাম্যবাদী’ ও ‘সর্বহারা’র মতো রচনায় চণ্ডাল, কুলি-মজুর, মাঝি, কৃষক, ধীবর, চোর-ডাকাত ও সমাজের অন্যান্য প্রান্তিক মানুষের কথা উঠে এসেছে। হিন্দু-মুসলমানের বিভাজন অতিক্রম করে নতুন সামাজিক সম্পর্ক তৈরির আকাঙ্ক্ষাও ছিল তাঁর চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

নারী-পুরুষের সমতা, নারীর উচ্চশিক্ষার অধিকার, নারী সাহিত্যিকদের মূল্যায়ন এবং অবরোধ প্রথার বিরুদ্ধেও নজরুলের অবস্থান ছিল প্রগতিশীল। ফলে তাঁর বিদ্রোহ ছিল বহুমাত্রিক—রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক।

‘পুরুষকারই আসল জিনিস’

নজরুলের চিন্তায় জন্মপরিচয়ের চেয়ে মানুষের নিজস্ব কর্ম ও সক্ষমতার গুরুত্ব বেশি। তিনি মনে করতেন, বংশ বা জাতিগত পরিচয় মানুষের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করতে পারে না। নিজের কর্ম ও মনুষ্যত্বের ওপর দাঁড়ানোই গুরুত্বপূর্ণ।

এই ভাবনাই তাঁর পৌরুষের একটি মৌলিক দিককে সামনে আনে—জন্ম নয়, পুরুষকার। অর্থাৎ মানুষের পরিচয়ের চূড়ান্ত ভিত্তি তার কাজ, সাহস ও মনুষ্যত্ব।

নেতৃত্বের মহিমাকেও প্রশ্ন

নজরুল প্রচলিত ক্ষমতা ও নেতৃত্বের অন্ধ আনুগত্যও মেনে নেননি। তরুণদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল অনেকটা বন্ধুত্বপূর্ণ ও অনুভূমিক। তিনি নিজেই ‘নেতা হওয়ার লোভ’ থেকে দূরে থাকার কথা বলেছেন।

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি অন্ধ শ্রদ্ধার বদলে নিজের বোধ দিয়ে সত্যকে যাচাই করার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, বিদ্রোহ মানে কাউকে না-মানা নয়; বরং যা বোঝা যায় না, সেটিকে মাথা উঁচু করে ‘বুঝি না’ বলতে পারাও বিদ্রোহের অংশ।

প্রযুক্তি ও আধুনিকতার অন্ধ উচ্ছ্বাসও নয়

নজরুলকে শুধু বিদ্রোহী কবি হিসেবে দেখলে তাঁর আধুনিকতা-বিষয়ক সংশয়ও চোখ এড়িয়ে যায়। বৈদ্যুতিক ও শিল্পযুগের সম্ভাবনা যেমন তিনি অনুভব করেছিলেন, তেমনি প্রযুক্তির কারণে শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের ওপর তৈরি হওয়া নতুন ধরনের শোষণও তিনি দেখতে পেয়েছিলেন।

রেল, স্টিমার, বিদ্যুৎ, কলকারখানা মানুষের আরাম বাড়ালেও শিল্পায়নের প্রতিযোগিতায় বহু শ্রমজীবী মানুষ তাদের পেশা হারাচ্ছে—নজরুল তাঁর লেখায় এই সংকটের কথা উল্লেখ করেছেন। এই কারণে তাঁর চিন্তায় আধুনিকতা ছিল না অন্ধ প্রযুক্তিপূজা; বরং মানুষের জীবনে প্রযুক্তির প্রভাবকে প্রশ্ন করার প্রবণতাও ছিল।

শেষ পর্যন্ত মানুষের মুক্তিই লক্ষ্য

জীবনের শেষ অভিভাষণেও নজরুল তাঁর মূল আকাঙ্ক্ষার কথা স্পষ্ট করে গেছেন—হিন্দু-মুসলমানের সংঘাত, জাতিগত বিদ্বেষ, যুদ্ধ, দারিদ্র্য ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা। তাঁর নিজের ভাষায়, এই অসাম্য ও ভেদজ্ঞান দূর করতেই তিনি এসেছিলেন।

তাই নজরুলের পৌরুষকে কেবল শক্তি, বীরত্ব কিংবা কর্তৃত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করলে তা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তাঁর পৌরুষের ভেতরে ছিল অভিমানী প্রেমিক, বিপন্ন মানুষ, বিদ্রোহী যোদ্ধা এবং আত্মদানকারী সত্তা—যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চায়, কিন্তু অন্যকে দখল করে নিজের শক্তি প্রমাণ করতে চায় না।

নজরুলের স্বতন্ত্রতা সম্ভবত এখানেই—তিনি পরিচয়ের অলংকার গ্রহণ করেছেন, কিন্তু পরিচয়ের খাঁচায় নিজেকে বন্দী করেননি; বিদ্রোহ করেছেন, কিন্তু বিদ্রোহকে নিছক ধ্বংসে সীমাবদ্ধ রাখেননি। তাঁর পৌরুষের কেন্দ্রে ছিল মানুষের মুক্তি, মর্যাদা ও বেঁচে থাকার অধিকার।

কালের আলো/এসএ

ঢাকা কর অঞ্চল-১ এ ৩৪ পদে নিয়োগ, আবেদন ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
ঢাকা কর অঞ্চল-১ এ ৩৪ পদে নিয়োগ, আবেদন ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত

ঢাকা কর অঞ্চল-১ জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের বিভিন্ন পদে মোট ৩৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আগামী ১৪ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একজন প্রার্থী একাধিক পদে আবেদন করতে পারবেন না। পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কোন পদে কত নিয়োগ

১. কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ১টি
গ্রেড: ১৩
বেতন স্কেল: ২৪,০০০–৫৮,০০০ টাকা।

২. সাঁট লিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ৪টি
গ্রেড: ১৩
বেতন স্কেল: ২৪,০০০–৫৮,০০০ টাকা।

৩. উচ্চমান সহকারী
পদসংখ্যা: ৮টি
গ্রেড: ১৪
বেতন স্কেল: ২৩,৫০০–৫৬,৮০০ টাকা।

৪. সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যা: ১০টি
গ্রেড: ১৪
বেতন স্কেল: ২৩,৫০০–৫৬,৮০০ টাকা।

৫. অফিস সহকারী কাম অফিস কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ৬টি
গ্রেড: ১৬
বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা।

৬. গাড়িচালক
পদসংখ্যা: ১টি
গ্রেড: ১৬
বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা।

৭. অফিস সহায়ক
পদসংখ্যা: ৪টি
গ্রেড: ২০
বেতন স্কেল: ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা।

সব মিলিয়ে সাতটি পদে ৩৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

যেভাবে আবেদন

নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে ঢাকা কর অঞ্চল-১-এর নির্ধারিত টেলিটক ওয়েবসাইটে।

আবেদনের ওয়েবসাইট: tax1.teletalk.com.bd

আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে পদভেদে। ১ থেকে ৬ নম্বর পদের জন্য আবেদন ফি ১১২ টাকা এবং ৭ নম্বর পদের জন্য ৫৬ টাকা।

আবেদনের সময়সূচি

অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৪ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৫টা।

প্রার্থীদের আবেদন করার আগে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা, অভিজ্ঞতা, কোটাসহ অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আবেদন শুরু: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ১০টা
আবেদনের শেষ সময়: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, বিকেল ৫টা
আবেদন পদ্ধতি: অনলাইন
আবেদন ওয়েবসাইট: tax1.teletalk.com.bd

কালের আলো/এসএ