খুঁজুন
                               
, ,
           

সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন নৌবাহিনী প্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ
সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন নৌবাহিনী প্রধান

সরকারি সফরে সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সফরকালে নৌবাহিনী প্রধান সৌদি আরবের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, রয়েল সৌদি নেভাল ফোর্সের প্রধান এবং মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স কোয়ালিশন কমান্ডারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। পাশাপাশি দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং নৌবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় করবেন তারা।

সৌদি আরব অবস্থানকালে নৌবাহিনী প্রধান বিভিন্ন সামরিক ও নৌ স্থাপনা পরিদর্শন করবেন। একই সঙ্গে দুই দেশের নৌবাহিনীর পেশাগত সম্পর্ক, প্রশিক্ষণ ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করবেন।

আইএসপিআর আশা করছে, নৌবাহিনী প্রধানের এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মিসরে মাদক মামলায় জনপ্রিয় নারী টিভি উপস্থাপকসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২০ অপরাহ্ণ
মিসরে মাদক মামলায় জনপ্রিয় নারী টিভি উপস্থাপকসহ ১২ জনের মৃত্যুদণ্ড

মাদকদ্রব্য তৈরি ও পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মামলায় মিসরের একটি আদালত দেশটির জনপ্রিয় নারী টেলিভিশন উপস্থাপক সারাহ খলিফাসহ ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। শনিবার দেশটির সরকারি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

৩৯ বছর বয়সী সারাহ খলিফা ‘মিশন ইমপসিবল’ নামের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে পরিচিতি পান। অনুষ্ঠানটিতে নিরাপত্তা ও অপরাধসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হতো।

সরকার-সংশ্লিষ্ট পত্রিকা আল-আহরামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণ সংগ্রহ এবং সেগুলো পাচারের উদ্দেশ্যে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র গঠন, পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ রাখার অভিযোগে কায়রোর একটি আদালত সারাহ খলিফা ও অপর ১১ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আখবার এল-ইয়োমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে পাচারের উদ্দেশ্যে সিনথেটিক মাদক তৈরি এবং বিদেশ থেকে মাদক তৈরির উপকরণ আমদানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

আল-আহরামের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে ৭৫০ কেজির বেশি মাদকদ্রব্য ও মাদক তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া মাদক তৈরির পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহৃত দুটি অ্যাপার্টমেন্ট এবং লাইসেন্সবিহীন আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার আগে আদালত মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির কাছে ফতোয়া বা ধর্মীয় মতামত চেয়েছিলেন। মৃত্যুদণ্ডের মামলায় দেশটির আইনে এটি একটি বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। তবে রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিলের সুযোগ রয়েছে।

সারাহ খলিফার একটি কসমেটিক সার্জারি ক্লিনিকও রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন পার্টি ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের মালিক তিনি।

এদিকে অন্য একটি মামলায় সারাহ খলিফা ও কয়েকজন আসামিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় এক তরুণকে অপহরণ ও মারধরের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

মিসরে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ধর্ষণসহ কয়েক ধরনের অপরাধ এবং মাদক পাচারের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

মিসরীয় কমিশন ফর রাইটস অ্যান্ড ফ্রিডমসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশটিতে ৫৪১ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

মালয়েশিয়ার কাছে হেরে জুনিয়র এশিয়া কাপে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় হার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার কাছে হেরে জুনিয়র এশিয়া কাপে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় হার

জুনিয়র এশিয়া কাপে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ পুরুষ হকি দল। প্রথম ম্যাচে চীনের কাছে ৩-২ গোলে হারের পর রোববার মালয়েশিয়ার কাছে ৪-২ গোলে হেরেছে তারা।

চীনের মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ২১ থেকে ২৩ মিনিটের মধ্যে দুটি গোল হজম করে বাংলাদেশ।

তবে ২৪ মিনিটে আবদুল্লাহ গোল করে ব্যবধান কমালে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে বাংলাদেশের। তৃতীয় কোয়ার্টারে মেহেদী হাসানের ফিল্ড গোলে সেই আশা আরও জোরালো হয়। তাঁর গোলে ২-২ সমতায় ফেরে বাংলাদেশ।

কিন্তু শেষ কোয়ার্টারে আর সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪৮ ও ৫১ মিনিটে পরপর দুটি গোল করে মালয়েশিয়ার জয় নিশ্চিত করেন সুজাইনি ফাহমি। শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশের যুবারা।

টানা দুই ম্যাচ হেরে ‘বি’ গ্রুপে এখন কঠিন অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ। আগামী মঙ্গলবার নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কাজাখস্তানের মুখোমুখি হবে তারা।

এ নিয়ে নবমবারের মতো জুনিয়র এশিয়া কাপে খেলছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য ১৯৯৬ সালে সেমিফাইনালে খেলা।

এবারের ১০ দলের আসরে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে পাকিস্তান, চীন, মালয়েশিয়া ও কাজাখস্তান।

কালের আলো/এসএ

৩০ বছরেও রহস্যের আবরণে সালমান শাহর মৃত্যু

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৫ অপরাহ্ণ
৩০ বছরেও রহস্যের আবরণে সালমান শাহর মৃত্যু

সেদিন ছিল শুক্রবার। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। ঠিক ৩০ বছর আগে শরতের সকালে ঢাকাই চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছিল গভীর শোক। মাত্র ২৫ বছর বয়সে চলে যান বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। পারিবারিক নাম শহীদ চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে যিনি হয়ে উঠেছিলেন কোটি দর্শকের প্রিয় তারকা।

১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সিলেটের জকিগঞ্জে জন্ম নেওয়া সালমান শাহ ছিলেন কমর উদ্দিন চৌধুরী ও নীলা চৌধুরীর বড় ছেলে। ১৯৭১ সালে জন্ম, ১৯৯৬ সালে মৃত্যু—মাত্র ২৫ বছরের জীবনে তিনি যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন, তা আজও বিস্ময় জাগায়।

তবে তাঁর অকালমৃত্যুর তিন দশক পরও একটি প্রশ্নের উত্তর মেলেনি—কীভাবে, কেন মৃত্যু হয়েছিল সালমান শাহর? বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা, অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য থাকলেও মৃত্যুর রহস্য এখনো পুরোপুরি কাটেনি। বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়াও চলমান।

সালমান শাহ তখন রাজধানীর নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজার একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রায় সাতটার দিকে তাঁর বাবা কমর উদ্দিন চৌধুরী ছেলের সঙ্গে দেখা করতে বাসায় যান। তবে সেখানে গিয়ে তিনি ছেলের দেখা পাননি।

সালমানের মা নীলা চৌধুরী পরবর্তী সময়ে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, বাসার নিচে দারোয়ান প্রথমে তাঁর স্বামীকে ওপরে যেতে বাধা দেন। পরে তিনি জোর করে ওপরে গেলেও প্রায় দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করেন।

বেলা ১১টার দিকে নীলা চৌধুরীর বাসায় একটি ফোন আসে। তাঁকে দ্রুত সালমানের বাসায় যেতে বলা হয়। সেখানে গিয়ে তিনি ছেলেকে বিছানায় দেখতে পান। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, সালমানের হাত-পায়ের নখ নীল হয়ে গিয়েছিল। এরপর তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ইস্কাটনের বাসা থেকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয়।

ময়নাতদন্তের পর সালমান শাহর মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তবে শুরু থেকেই তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানানো হয়। পরিবারের দাবি ছিল, সালমানকে হত্যা করা হয়েছে।

নীলা চৌধুরী অভিযোগ করেছিলেন, তাঁরা হত্যা মামলা করতে চাইলেও পুলিশ সেটি অপমৃত্যুর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে তখন বলা হয়েছিল, তদন্তে হত্যাকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া গেলে মামলাটি সেই অনুযায়ী রূপ নেবে।

দীর্ঘ সময় ধরে সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে তদন্ত, আদালত ও বিভিন্ন পর্যায়ে আইনি প্রক্রিয়া চলেছে। ফলে তিন দশক পরও তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে প্রশ্ন ও বিতর্ক পুরোপুরি শেষ হয়নি।

সালমান শাহর মৃত্যুর আগের দিন, ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ‘প্রেমপিয়াসী’ সিনেমার ডাবিং করতে এফডিসিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন ছবিটির নায়িকা শাবনূর।

বিভিন্ন সময়ের প্রকাশিত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, সালমান তাঁর বাবাকে ফোন করে স্ত্রী সামিরাকে নিয়ে এফডিসির সাউন্ড কমপ্লেক্সে আসতে বলেন। পরে সেখানে সামিরা দেখতে পান, সালমান ও শাবনূর ডাবিং রুমে হাসি-ঠাট্টা করছেন।

এ ঘটনা নিয়ে সামিরার সঙ্গে সালমানের মনোমালিন্য হয়েছিল বলে বিভিন্ন সময়ের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তবে ওই রাতের পর বাসায় ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শীর নির্ভরযোগ্য বয়ান নেই। ফলে এ নিয়ে নানা ধরনের বক্তব্য ও জল্পনা তৈরি হয়েছে।

রাত ১১টার দিকে পরিচালক বাদল খন্দকার সালমানকে নিউ ইস্কাটনের বাসায় পৌঁছে দিয়ে চলে যান। পরদিন সকালে সালমানের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।

মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে সালমান শাহ অভিনয় করেছেন ২৭টি চলচ্চিত্রে। ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘বিক্ষোভ’, ‘প্রেমযুদ্ধ’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’ ও ‘আনন্দ অশ্রু’র মতো চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় আজও দর্শকদের মনে গেঁথে আছে।

অভিনয়ের পাশাপাশি পোশাক, চুলের স্টাইল ও ব্যক্তিত্বেও তিনি নব্বইয়ের দশকের তরুণদের কাছে ছিলেন অনুকরণীয়। শাবনূরের সঙ্গে তাঁর জুটি ঢাকাই চলচ্চিত্রে আলাদা জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

আজ ৩০ বছর পেরিয়ে গেলেও সালমান শাহর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। নতুন প্রজন্মের দর্শকের কাছেও তিনি পরিচিত এক নাম। তাঁর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের অবসান না হলেও চলচ্চিত্রে তাঁর স্বল্পস্থায়ী উপস্থিতি তাঁকে দিয়েছে স্থায়ী এক আসন।

সালমান শাহ নেই, কিন্তু তাঁর অভিনয়, চলচ্চিত্র ও অনন্য স্টাইলের মধ্য দিয়ে তিনি আজও বেঁচে আছেন দর্শকদের হৃদয়ে।

কালের আলো/এসএ